হিজড়াদের এই ৩টি জিনিসে ভুলেও হাত দেবেন না

শহরের ব্যাস্ত সময় রাস্তা ঘাটে, বাসে ট্রেনে, ভিড়ের মাঝে তাদের দেখা যায়। তারা রঙিন মুখে হাত পেতে টাকা চাইতে থাকে। তারা আবদারের সুরে বলে “টাকা দে…”। রাস্তায় চলাচল ক’রতে গিয়ে এই ধ’রনের কথা আমাদের মাঝে মাঝেই কানে আসে। র’ক্ত মাংসের তৈরী হলেও তাদের মানুষ বলে গন্য করেনা কেউ। তারা সমাজে’র অবাঞ্ছিত।

কারন তাদের মধ্যে না’রী অথবা পুরু’ষের কোন সম্পুর্ন বিশিষ্ট নেই। দুই লি’ঙ্গে”র অর্ধেক অর্ধেক বিশিষ্ট থাকে তাদের মধ্যে। তাদেরকে দে’খতেও হয় একটু অদ্ভুত রকমের। না তাদের ছে’লেদের মত দে’খতে হয় আর না তাদের মে’য়েদের মত দে’খতে। সামাজিক সুযোগ সুবিধাও পায়না। আর তাই তাদেরকে আয়ের ভিন্ন ধ’রনের পথ বেছে নিতে হয়, যা সাধারন মানুষের কাছে স’মস্যার কারন হয়ে দাড়ায়। হিন্দু শাস্ত্র বলে এমন কিছু জিনিস আছে যা হিজড়াদের কখনো দান ক’রতে নেই। দিলেই বি’পদ ঘনিয়ে আসে জীবনে। সেগু’লি হল : ১। স্টিলের বাসন ২। রূপো ৩। তেল।

আরো পড়ুন : ছেলেরা বৌদিদের পছন্দ করে ৬টি কারণে। যারা বাঙালি বৌ’দি আছেন তাদেরকে প্রায় বেশীর ভাগ মানুষই পছন্দ করেন, আর যারা সেই সব বৌদিদের পছন্দ করেন তাদের বয়স মোটামুটি ২০- ৩০-র মধ্যেই হয়। কখনও যদি কোনো বউদি তার বাড়ির বারান্দায় কাপড় মেলেতে আসে তাহলে প্রায় বেশীর ভাগ যুবকই বৌদির দিকে হাঁ করে তাকিয়ে থাকে, আর এই বৌদি রদি কখনও চুল খু’লে কাপড় মেলতে আসে তাহলে তো আর দে’খতেই হবেনা, সবার চোখ সেদিকেই থাকবে। আসুন আম’রা জে’নে নিই যে, এই বৌদিদের কেন সবাই জত পছন্দ করে?

সব ছেলেরাই প্রায় বৌদি পছন্দ করে, কিছু কিছু বৌদিও আছে যারা আবার ছেলেদের দিকেও তাকায়। আসুন জে’নে নিই এর আ’সল কারনটা ঠিক কি। যেসব মহিলাদের বিয়ে হয়ে গেছে তারাই বৌদি, আর বৌদির সাথে ভাব জমালেই মজা পাওয়া যাবে, সেটা হোক অথবা অন্য কোনও কারণই হোক, সেটা আ’লাদা ব্যাপার। প্রতি মূহুর্তে এই বৌদিদের থেকে অনেক সাহায্য ও পাওয়া যায়। আর যেহেতু তারা বিবাহিত তাই ছেলেরা তার কাছ থেকে আদতে টি চাইছে সেটা আর তাদের আ’লাদা করে বোঝাতে হয়না।

২৫-৩০ মধ্যে বিবাহিত মেয়েরা দারুণ সু’ন্দরী হয় । তাদের সেই সুন্দর রুপ দেখেই সব ছেলে তাদের প্রেমে প’ড়ে যায়। বৌদিদের এই বয়সটা হল এমনই একটা বয়স যেই সময়ে তাদের রুপের ছটা সর্বো’চ্চ পর্যায়ে পৌঁছে যায়, আর সেই রুপ দেখেই সমস্ত ছেলেরা তাদের প্রেমে হাবুডুবু খায়।

বৌদিরা অনেক অভিজ্ঞতা সম্পন্ন হয় বলে, তাই সব ছেলেরাই জানে যে বৌদিরা কখনও তাদের কোনরকম বিপ’দে ফেলবে না বরং তাদেরকে নানান বি’পদ থেকে র’ক্ষা করবে, এবং বৌ’দিরা সব জিনিস খুব সহজে মানিয়ে নিতে পারে। তাই ছেলেরা তাদের বেশি পছন্দ করে।তারা রীতিমত খুব ভালোভাবেই জানে যে কোন কোন জিনিস খেয়াল রাখতে হয়, আর কোন কোন জিনিসগু’লি করা একদম উচিত নয়।কোনো অবিবাহিত মহিলার অনেক বিষয়েই কোনও অভিজ্ঞতা থাকে না আর তা আপনার জন্যে বি’পদ আনতে পারে। তাই সবাই বি’বাহিতদেরই বেশী পছন্দ করে ।

এখনকার ছেলেরা অভিজ্ঞতা সম্পন্ন মহিলাদেরকেই বেশি পছন্দ করে। আর ছেলেরা সবসময় চায় যে, এমন কোনও মেয়ে যে তাকে যেন খুশী ক’রতে পারে।আর সেই জন্যেই বৌদিদের তারা পছন্দ করে। আর আরেকটা জিনিস ও আছে সেটা হলো, বিবাহিত মহিলারা ভাও একটু কম খায় ,তারা খুব সুন্দর ভাবে কথা বলে এবং আপনার সকল প্রশ্নের উত্তর তারা সহজে দেয়। বিবাহিত হওয়ার কারণে তাদের ‘লজ্জা এসব অনেক কিছুই কম থাকে ।

যারা মাঝবয়সি মহিলা আছেন তাদের শারী’রিক চাহি’দা কিন্তু মা’রা’ত্মক, অতএব নিজে’র শ’রীরী চাহি’দা মে’টাতে হলে একমাত্র তাদের পাওয়া হলো সবচেয়ে সুবিধা— ঠিক এমন ধারণা মাথায় জাঁ’কিয়ে বসে আছে বা’ঙালি ছেলেদের। এই মান’সিকতা তাদের মনে বৌদি’দের প্রতি প্রে’ম জেগে ওঠে।কারন সব ছেলেই চায় এই প’রিস্থিতিতে যে কোন অভি’জ্ঞ মহিলা তাকে সাহায্য করার জন্য এগিয়ে আসুক।

তবে সবসময় মনে রাখবেন এই সব স’স্পর্কের প্রতি’ফলন কিন্তু মা’রা’ত্মক, এর ফলে আপনার অনেক ক্ষ’তি হতে পারে, সংসারে আবার নান রকম প্র’ব্লেম ও সৃ’ষ্টি হতে পারে। তবে শুধুমাত্র বাঙ্গালি’দের-ই নয়, এমন আরও অনেক দেশ আছে যেখানে এরকম হয়ে থাকে ।

সবাই কম বা বেশী একে অপরের প্রে’মে প’ড়ে, ঠিক সেরকম বৌ’দিদের প্রে’মেও অনেক ছেলেরাই প’ড়ে। শুধুমাত্র নিজেদের চা’হিদা মে’টাতেই একে অপরের কাছে যায়। ঠিক এই সব কারনেই বৌদিদের প্রতি সবার এত ভালবাসা, এবং বৌদিরা সবাই প্রিয়।

Leave a comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *